হিন্দু ও ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত ড.জাকির নায়েকের ৩টিউল্লেখযোগ্য বই-PDF Islamic Book

হিন্দু ও ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত ড.জাকির নায়েকের ৩টিউল্লেখযোগ্য বই-PDF Islamic Book

ইসলাম ও হিন্দুধর্মের মধ্যে মিল ও সাদৃশ্য

জাকির নায়েক বুক সিরিজ-৫

অনুবাদ

ইফফাত আরা চৌধুরী

BOOK COVER

বইটির রিভিউ হিসেবে বই কিছু অংশ এখানে হুবাহু তুলে দেয়া হলো আশা করি আমাদের এই নতুন উদ্যোগটির মাধ্যমে আপনারা সবাই উপকৃত হবেন ………

হিন্দুধর্মে সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে ধারণা

আপনি যদি সাধারণ হিন্দুদেরকে জিজ্ঞাসা করেন তাদের কতজন দেবতা রয়েছে, তাহলে তাদের কেউ কেউ হয়ত বলবে তিনজন, কেউ বলবে ৩৩ জন, কেউ বলবে এক হাজার আবার কেউ কেউ হয়ত বলবে ৩৩ কোটি। কিন্তু আপনি যদি কোন হিন্দু পণ্ডিতকে এই প্রশ্ন করেন যার হিন্দুধর্ম গ্রন্থ সম্পর্কে ব্যুৎপত্তি রয়েছে, তাহলে তিনি বলবেন, হিন্দুদের একজন দেবতায় বিশ্বাস

<<নিচে ডাউনলোডা লিকং দেয়া হলো>>

করা উচিত এবং তারই উপাসনা করা উচিত। ইসলাম ও হিন্দুধর্মের মধ্যে পার্থক্য হলাে একটি র’-এর (সবকিছুই স্রষ্টার’ (আল্লাহর) বনাম সবকিছুই ‘স্রষ্টা’ /ভগবান বা ঈশ্বর)। হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলাে সাধারণ হিন্দুরা সর্বেশ্বরবাদে বিশ্বাস করে অথাৎ “সবকিছুই ঈশ্বর/ভগবান। বৃক্ষ ঈশ্বর, সূর্য ঈশ্বর, চন্দ্র ঈশ্বর, সর্প ঈশ্বর, বানর ঈশ্বর, মানুষ ঈশ্বর”। অন্যদিকে মুসলমানেরা বিশ্বাস করে যে “সবকিছুই ঈশ্বরের বা ভগবানের (আল্লাহর)।”

অর্থাৎ বাংলা বর্ণ ‘র’ সংযুক্ত করতে হবে। সবকিছুরই মালিক এক। অদ্বিতীয় চিরঞ্জীব আল্লাহ। বৃক্ষ-তরুলতার মালিক আল্লাহ, সূর্যের মালিক আল্লাহু, চন্দ্রের মালিক আল্লাহু, সর্পের মালিক আল্লাহু, মানুষের মালিক আল্লাহু সুতরাং হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে মূল পার্থক্য হল একটি ‘র’-এর। হিন্দুরা বলে সবকিছুই ‘ঈশ্বর ভগবান|’ আর মুসলমানেরা বলে সবকিছুই ঈশ্বরের (আল্লাহর)। যদি আমরা এই র’-এর পার্থক্য ঘােচাতে পারি তাহলে হিন্দু ও মুসলমান ঐক্যবদ্ধ হবে। পবিত্র কুরআনের ৩ নম্বর সূরা আল ইমরানের ৬৪ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে ……

<<আরো পড়তে বইটি ডাউনলোড করে নিন>>

বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থের আলােকে হিন্দুধর্ম এবং ইসলাম HINDUISM & ISLAM

ডা. জাকির নায়েক

অনুবাদ

মােঃ শামসুল ইসলাম। বি.এ (অনার্স), ইসলামিক স্টাডিজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

BOOK COVER


বইটির রিভিউ হিসেবে বই কিছু অংশ এখানে হুবাহু তুলে দেয়া হলো আশা করি আমাদের এই নতুন উদ্যোগটির মাধ্যমে আপনারা সবাই উপকৃত হবেন ………

পবিত্র কুরআনের এ আয়াতে যদিও বলা হয়েছে যে, আহলে কিতাব ইহুদি ও খ্রিস্টানরা। এ কথা দিয়ে মূলত বিভিন্ন ধরনের মানুষের কথা বুঝানাে হয়েছে।

“সেই কথায় এসাে যা আমাদের ও তােমাদের মধ্যে একই ধরনের এ কথার প্রথম সাদৃশ্যটা হলাে, ‘আমরা আল্লাহ ছাড়া কারাে ইবাদত করি না, কোনাে কিছুকে তার সাথে শরিক করি না’ এটা কোনােভাবেই ঠিক হবে না,


<<নিচে ডাউনলোডা লিকং দেয়া হলো>>

যদি কোনো ধর্মকে বা কোনাে ধর্মের সৃষ্টিকর্তাকে বুঝতে চান সেই ধর্মের কিছু অনুসারীদের দেখে। কেননা প্রায়ই দেখা যায়, ধর্মের অনুসারীরাই তাদের ধর্ম সম্পর্কে কিছুই জানে না অথবা তাদের সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কেও জানে না। এটাও ঠিক হবে না। যদি আপনি সেই ধর্মের অনুসারীদের রীতি-নীতি আচার-অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণ করেন। তাই আপনি যদি কোনাে ধর্ম সম্পর্কে জানতে চান বা সেই ধর্মের সৃষ্টিকর্তাকে জানতে চান তাহলে দেখুনসেই ধর্মের পবিত্র গ্রন্থগুলােতে ধর্ম সম্পর্কে অথবা সেই ধর্মের সৃষ্টিকর্তার সম্পর্কে কী বর্ণনা দেয়া হয়েছে। ধর্ম গ্রন্থগুলাের আলােকে হিন্দুধর্ম ও ইসলামে সৃষ্টিকর্তার ধারণা নিয়ে আলােচনা করার পূর্বে আসুন বুঝার চেষ্টা করি

‘হিন্দুইজম ও ইসলাম শব্দ এ দুটি দিয়ে আসলে কী বুঝানাে হয়।

‘হিন্দু’ শব্দের একটি ভৌগােলিক বিশেষত্ব রয়েছে। এ শব্দ দিয়ে বােঝানাে হয়েছে তাদেরকে, যারা সিন্ধু নদের ওপারে বাস করে বা যে মানব সম্প্রদায় সিন্ধু নদের অববাহিকায় বাস করে। বেশির ভাগ ইতিহাসবিদই বলেন যে, এই হিন্দু শব্দটা প্রথম ব্যবহার করেছিল আরবগণ। কেউ কেউ আবার বলেন, এ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেছিল পার্সিয়ানরা, যারা ভারতে এসেছিল হিমালয়ের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে। এনসাইক্লোপিডিয়া অব রিলিজিয়ন অ্যান্ড এথিকসের ৬ নম্বর ভলিউজমের ৬৯৯ নং রেফারেন্স অনুযায়ী, মুসলমানগণ হিন্দু শব্দটা ভারতের কোনাে সাহিত্যে…..


<<আরো পড়তে বইটি ডাউনলোড করে নিন>>

হিন্দুধর্ম ও ইসলামের সাদৃশ্য

BOOK COVER

বইটির রিভিউ হিসেবে বই কিছু অংশ এখানে হুবাহু তুলে দেয়া হলো আশা করি আমাদের এই নতুন উদ্যোগটির মাধ্যমে আপনারা সবাই উপকৃত হবেন ………

ইসলাম কোনাে নতুন ধর্ম নয়

কিছু কিছু লােকের মধ্যে একটি ভুল ধারণা বদ্ধমূল হয়ে আছে। তা হচ্ছে ইসলাম একটি নতুন ধর্ম যা মাত্র ১৪০০ বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স) ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলাে ইসলামের উৎপত্তি ঘটেছে সৃষ্টির প্রথম লগ্নে যখন মানুষ এই পৃথিবীতে পা রেখেছিল। আর মহানবী (স) ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক নন; বরং তিনি হলেন ইসলামের সর্বশেষ ও চুড়ান্ত নবী । যা হােক, আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, ইসলাম প্রকৃতপক্ষে এমন কোনাে একক ধর্মের নাম নয়, যা হযরত মুহাম্মদ (স) কর্তৃক প্রথম বারের মতাে উপস্থাপিত হয়েছে এবং যে অর্থে তাকে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়


<<নিচে ডাউনলোডা লিকং দেয়া হলো>>

তা যথার্থ নয়। পবিত্র কুরআনে উল্লেখ রয়েছে, মানুষের পূর্ণ আনুগত্য কেবল এক সৃষ্টিকর্তা প্রভুর জন্যই নির্ধারিত। এটা মানবজাতির মহান প্রভুর এমন একটি বিশেষ হিদায়াত যা সৃষ্টির একেবারে শুরু থেকেই ধারাবাহিকভাবে অবতীর্ণ হয়ে আসছে। হযরত নূহ (আ), হযরত সােলাইমান (আ), হযরত দাউদ (আ), হযরত ইবরাহিম (আ), হযরত ইসহাক (আ), হযরত মূসা (আ) এবং হযরত ঈসা (আ)সহ অন্য নবীগণ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে আবির্ভূত হয়েছেন। তাঁদের সকলেই একই বিশ্বাস ও তাওহীদ (আল্লাহর একত্ববাদ), রিসালাত (নবুওয়াত) এবং আখিরাত (পরকাল) সম্পর্কে একই তথ্য ও খবর পরিবেশন করেছেন । উল্লিখিত সম্মানিত নবীগণ ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না- যা তাদের মৃত্যুর পর তাদের নামে নামকরণ করা হয়েছে । তারা প্রত্যেকেই তাদের পূর্ববর্তীদের প্রচারিত আকিদা এবং বাণীর পুনরাবৃত্তি করেছেন মাত্র।

<<আরো পড়তে বইটি ডাউনলোড করে নিন>>