সাহাবীদের জীবন চিত্র প্রথম খণ্ড -PDF Download

সাহাবীদের জীবন চিত্র

প্রথম খণ্ড

ড. আবদুর রহমান রাফাত পাশা

বিখ্যাত আরবী সাহিত্যিক ও ভাষাবিদ

অনুবাদ ও সম্পাদনা

জি এম মেহেরুল্লাহ

এম, এম, বিএ (অনার্স), এম. এ (ঢাবি)

বিসিএস (শিক্ষা) মুহাদ্দিস, মাদরাসা-ই-আলিয়া, ঢাকা মুহতামিম, জামিয়া মিল্লিয়া বাংলাদেশ।

যােবায়ের হােসাইন রাফীকী

দাওয়ারায়ে হাদীস (মুমতাজ) আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম

 

বইটির রিভিউ হিসেবে বই কিছু অংশ এখানে হুবাহু তুলে দেয়া হলো আশা করি আমাদের এই নতুন উদ্যোগটির মাধ্যমে আপনারা সবাই উপকৃত হবেন ………

হযরত আব্দুয়াহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু

“নিশ্চয়ই সে একজন পরিণত বয়সের যুবক তার রয়েছে প্রশ্নে-ভরা জিহ্বা এবং জ্ঞান অন্তর।”

{তার শানে হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এর বাণী}

তিনি এমন একজন সাহাবী যিনি বিভিন্ন দিক দিয়ে সম্মানের অধিকারী ছিলেন। কোনােদিক থেকে তার সম্মানের কমতি ছিল না। প্রথমত, তিনি রাসূল সাঃ এর একজন সাহাবী যদিও তিনি বয়সে ছােট ছিলেন। দ্বিতীয়ত, তিনি রাসূল সাঃএর নিকটাত্মীয়দের একজন। তিনি রাসূল সাঃ এর চাচাতাে ভাই ছিলেন। তৃতীয়ত, তিনি হলেন “হিরুল উম্মাহ” জ্ঞানের সাগর হওয়ার কারণে তাঁকে এই উপাধি দেওয়া হয়েছে। চতুর্থত, তিনি অনেক উঁচু তাকওয়ার অধিকারী ছিলেন,তিনি সারাদিন রােযা রেখে কাটাতেন আর সারারাত নামাজে কাটাতেন। তিনি সর্বদা আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন এবং আল্লাহর ভয়ে এত বেশি কাঁদতেন যে, চোখের পানি ঝরতে ঝরতে তাঁর দুই গালে দাগ পড়ে গিয়েছিল।

তিনি আর কেউ না তিনি হচ্ছেন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু যিনি কোরআন সম্পর্কে সবার থেকে বেশি জ্ঞান রাখতেন। কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা দিতে পারতেন এবং কোরআনের কোন আয়াতে কি উদ্দেশ্য সেই সম্পর্কে ভালাে জানতেন, ভালাে পারতেন।

বইটির PDF এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন……

হযরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু

ও হিজরতের তিন বছর পূর্বে জন্মগ্রহণ করেন। রাসূল সাঃ যখন ইন্তেকাল করেন তখন তাঁর বয়স মাত্র তের বছর।

এরপরেও তিনি রাসূল -এর থেকে এক হাজার ছয়শত ষাটটি হাদীস বর্ণনা করেন যা বােখারী ও মুসলিমসহ অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত আছে।

তার মা তাকে দুধ পান করানাের পূর্বে রাসূল সাঃ -এর নিকটে নিয়ে আসেন। রাসূল সাঃ পর পবিত্র লালা মুবারক দিয়ে তার ঠোট ঘষে দিলেন। এতে তাঁর পেটে

সর্বপ্রথম রাসূল সাঃ এর লালা মুবারক প্রবেশ করে। আর এই পবিত্র লালার সাথে তাঁর অন্তরে তাকওয়া ও হিকমতও প্রবেশ করে।

তিনি যখন অবুঝ বয়স পার করে একটু বড় হলেন তখন থেকে তিনি রাসূল সাঃ এর সঙ্গে থাকা শুরু করেন। তিনি রাসূল সাঃ এর অযুর পানি এনে দিতেন। রাসূল সাঃ এলাকায় যখন নামাজ আদায় করতেন তার পিছনে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতেন। রাসূল সাঃ যখন সফরে বের হতেন তিনি তার সঙ্গে বের হতেন। এমনকি তিনি রাসূল সাঃ এর ছায়ার মতাে হয়ে গেলেন। রাসূল সাঃ যেখানে সফর করতেন তিনিও তাঁর সাথে সেখানে সফর করতেন এবং রাসূল সাঃ এর আকাশে তিনি যেভাবে ইচ্ছা ঘুরে বেড়াতেন। তিনি রাসূল সাঃ এর সাথে থাকা অবস্থায় তাঁর অন্তরকে সজাগ রাখতেন। রাসূল সাঃ যা বলতেন তিনি তা মুখস্থ করে নিতেন। তার বয়স কম থাকা সত্ত্বেও তিনি রাসূল সাঃ-এর মতাে বেশি হাদীস বর্ণনা করেন যে, তিনি হাদীসশাস্ত্রে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। তিনি নিজেই বর্ণনা করেন- একদা রাসূল সাঃ অযু করার ইচ্ছা করলেন

আমি তাড়াতাড়ি করে অযুর পানি এনে দিলাম। তিনি এতে খুব খুশি হলেন। যখন তিনি নামাজ পড়তে ইচ্ছা করেন, তিনি আমাকে তার পাশে দাঁড় করাতে ইচ্ছা করলেন, কিন্তু আমি তার পেছনে দাঁড়ালাম……

আরো পড়তে বইটি ডাউনলোড করে নিন……