শেষ বিকেলের কান্না -ইসলামিক বই pdf

লেখক

নাসীম হিযাজী

কিছুটা পড়ে নেই ……

মায়ের অন্তিম বাণী

 দশ মাইল দীর্ঘ এবং পাঁচ মাইল প্রশস্ত আলফাজরার পার্বত্য এলাকা। হিজরতের পর এটাই ছিল স্পেনের সম্রাট আবু আবদুল্লাহর সাম্রাজ্য।

পশ্চিমে ছােট ছােট পর্বত শ্রেণী। পর্বতের পাদদেশে একটা পুরনাে কেল্লায় আবু আবদুল্লাহর আবাস। পাহাড় শ্ৰেণী ধীরে ধীরে উঁচু হয়ে গেছে উত্তর দিকে। পেছনে শস্য-শ্যামল উপত্যকা। সেখানে প্রায় চল্লিশটা বসতবাড়ি। এখানেই আরেক কেল্লায় থাকেন সাবেক উজির আবুল কাসেম।

আবুল কাসেমের জায়গীর দেখাশােনার দায়িত্ব ছিল মাসয়াবের ওপর। সম্পর্কে তার স্ত্রীর চাচাতাে ভাই। সুলতানের আগমনের কয়েকদিন পর দেহরক্ষী, চাকর-বাকর এবং ছেলেমেয়েদের নিয়ে এসেছিলেন তিনি। আবুল Fাসেম কাজে কর্মে ব্যস্ত থাকতেন গ্রানাডায়, গত তিন বছরে বড় জোর কয়েক সপ্তাহ কাটিয়েছেন এখানে। | সুলতানের সাথে বা তার দু’চার দিন পর যারা এখানে এসেছিল, বলতে গেলে তারা এসেছিল একেবারে শূন্য হাতে। ফার্ডিনেণ্ডের কাজে অনেকের এই আস্থা এসেছিল যে, তিনি চুক্তির শর্ত ভাঙবেন না। জমিজমা বিক্রি করে ওরা চলে আসতাে আলফাজরায়। সময় সুযােগ বুঝে পাড়ি দিত আফ্রিকা।

বইটি ডাউনলোড করি

শেষ বিকেলের কান্নাDownload

ফার্ডিনেও চাচ্ছিলেন মুসলমানরা আফ্রিকা চলে যাক, তবে তাদের তিনি দেশ ছাড়া করছেন, এ অভিযােগ যেন কেউ না করতে পারে এ ব্যাপারে তিনি ছিলেন খুব সতর্ক। এ জন্য তিনি শুধু তাদের যাতায়াতের পথই নিরাপদ রাখেননি বরং চুক্তির শর্তগুলােও যথাসাধ্য পালন করে চলতেন। ফলে, গত তিন বছরে অনেক মুসলমান আফ্রিকা গিয়ে আবার বিনা বাঁধায় ফিরেও এসেছিল।

রােমান আর তুর্কীদের যুদ্ধ জাহাজগুলাে রােম উপসাগরে টহল দিত । এ জন্য মুহাজির কাফেলায় আক্রমণ করে বিজিত এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইতেন না ফার্ডিনেণ্ড। ফলে, ওরা নির্বিঘ্নে সফর করতে পারতো।