রাতের সূর্য-শাইখুল ইসলাম মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী।।PDF Download

রাতের সূর্য-শাইখুল ইসলাম মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী।।PDF Download

কানাডা, আমেরিকা, জাপান, অষ্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড, ইয়েমেন, মালয়েশিয়া, নরওয়ে, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের বিস্ময়কর সফরনামা

মূল

শাইখুল ইসলাম মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী জগদ্বিখ্যাত আলেমে দ্বীন, দাঈ, বহু কালজয়ী গ্রন্থের রচয়ীতা

ভাইস প্রেসিডেন্ট : ইসলামী ফিকহ্ একাডেমী, জেদ্দা, সৌদী আরব শাইখুল হাদীস ও নায়েবে মুহতামিম : দারুল উলুম, করাচী

অনুবাদ

মাওলানা মুহাম্মাদ জালালুদ্দীন

ইমাম ও খতীব : আহালিয়া জামে মসজিদ, উত্তরা, ঢাকা

মুহাদ্দিস, টঙ্গি দারুল উলুম মাদরাসা

BOOK PAGES: 190 PAGE

BOOK SIZE:  5.31 MB

বইটির রিভিউ হিসেবে বই কিছু অংশ এখানে হুবাহু তুলে দেয়া হলো আশা করি আমাদের এই নতুন উদ্যোগটির মাধ্যমে আপনারা সবাই উপকৃত হবেন ………

মালয়েশিয়ায় কয়েকদিন

গত কয়েক মাস একাধারে বহির্দেশীয় সফরে ব্যস্ত ছিলাম। কয়েকটি দেশ সফর করার পর অবশেষে এক সপ্তাহ মালয়েশিয়ায় অতিবাহিত করার সুযােগ লাভ করি। আমি প্রায় পাঁচ বছর পূর্বেও একবার মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলাম। তবে সাম্প্রতিক কালের এ সফরে মাশাআল্লাহ ঐ দেশের উন্নতির যে জোয়ার দেখেছি এবং বিভিন্ন অঙ্গনে তার প্রশংসনীয় পদক্ষেপের যে ধারা দৃষ্টিগােচর হয়েছে, পাঠক সমাজকে তা অবহিত করতে মন চাচ্ছে। তাই এবার পাঠক সমীপে এ দেশটি সম্পর্কে কিছু কথা তুলে ধরছি।

মালয়েশিয়া দক্ষিণ এশিয়ার ঊর্ধ্বমুখী একটি ইসলামী দেশ। পূর্বে এটি ‘মালায়া’ নামে প্রসিদ্ধ ছিল। চতুর্দশ ও পঞ্চদশ খৃষ্ট শতাব্দীতে একে মুসলিম বিশ্বের সােনালী ভূখণ্ড মনে করা হত। কিন্তু ষােড়শ শতাব্দীর পর এটি প্রথমে পর্তুগীজ পরে ডাচ এবং অবশেষে ইংরেজ উপনিবেশবাদের শিকার হয়। ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদ থেকে তার ১৯৫৭ খৃষ্টাব্দে অর্থাৎ আমাদের স্বাধীনতা লাভের দশ বছর পর মুক্তি লাভ হয়। ১৩টি রাজ্য বা প্রদেশের সমন্বয়ের এ দেশটি স্বাধীনতা লাভের পর পার্লামেন্ট ভিত্তিক একটি কেন্দ্রীয় সংবিধান তৈরী করে। যার তৃতীয় দফায় একথা পরিষ্কার উক্ত ছিল যে, কেন্দ্রীয় সরকারের ধর্ম হবে ইসলাম। তবে অন্যান্য ধর্মও শান্তিপূর্ণভাবে পালন করা যাবে। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন তেরটি রাজ্যের প্রত্যেকটির মতাদর্শিক ও সাংবিধানিক পৃষ্ঠপােষকতা করে থাকে

বইটি ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে………


রাতের সূর্য-

সেই রাজ্যের সুলতান নিজে। আর এই তের রাজ্যের সুলতানগণ (যারা উত্তরাধিকার সূত্রে সুলতান হয়ে থাকে) নিজেদের মধ্য থেকে কোন একজনকে পাঁচ বছরের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সরকার প্রধান নির্বাচিত করে। নির্বাচিত সেই ব্যক্তি কেন্দ্রীয় সরকারের আইনানুগ প্রধান হয়ে থাকে। তবে বৃটিশের বিভিন্ন রাজ্যের রাজাদের ন্যায় এ সুলতানগণও নিছক আইনানুগ প্রধান হয়ে থাকে। প্রত্যেক সুলতানের মুসলমান হওয়া

জরুরী। তারা পদ গ্রহণের জন্য শপথ বাক্য পাঠের সময় নিয়মতান্ত্রিক আরবীতে ‘ওয়াল্লাহ’, ‘বিল্লাহ’, ‘তাল্লাহ’ শপথবাক্য বলে অঙ্গিকার করেন যে, তারা দ্বীন ইসলামের হেফাজত করবেন।

তবে রাষ্ট্র পরিচালনার নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রী নিজে দিয়ে থাকেন। যিনি সুলতানের পক্ষ থেকে মনােনীত হয়ে থাকেন। তবে শর্ত হল সুলতানের মতে তাকে পার্লামেন্টের আস্থা অর্জন করতে হবে। মালয়েশিয়ায় বহু জাতির বাস রয়েছে। তার মধ্যে পঞ্চাশ শতাংশের অধিক ‘মালয়’ বংশের লােক। তার পর দেশের অধিবাসীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশ চীনা বংশােদ্ভূত লােকদের। তাদের বেশীর ভাগ অমুসলিম। খােদ মালয় বংশের অধিবাসীরাও বিভিন্ন বংশ ও ভৌগলিক অংশে বিভক্ত। কিন্তু অধিবাসীদের এ বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে এমন কোন সংঘর্ষ নেই যা দেশের শৃঙ্খলা ও সংহতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাদের কারাে অধিকার বঞ্চিত হওয়ারও বিশেষ

আরো পড়তে বইটি ডাউনলোড করে নিন ………