মুসলিম নারীর হিজাব ও সালাতে তার পােশাক

মুসলিম নারীর হিজাব ওসালাতে তার পােশাক

শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়াহ (রহ.)

অনুবাদ

ড. মুহাম্মাদ আব্দুস সামাদ

সহযােগী অধ্যাপক আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম

ঢাকা ক্যাম্পাস

সম্পাদনা

ড, মােহাম্মদ শফিউল আলম ভূঁইয়া সহযােগী অধ্যাপক (ইসলামিক স্টাডিজ) আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম

ঢাকা ক্যাম্পাস।

পুরুষ ও মহিলার সতরের বর্ণনা পরিচ্ছেদ

পূর্বের আলােচ্য বিষয় ছিল পুরুষদের থেকে মেয়েদের পর্দা, পুরুষদের থেকে পুরুষদের পর্দা এবং মেয়েদের থেকে মেয়েদের পর্দার বর্ণনা। অর্থাৎ উল্লিখিত পর্দার বর্ণনা ছিল লজ্জাস্থান বিষয়ক। এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :

“لا ينظر الرجل إلى عورة الرجل ولا تنظر المرأة إلى عورة المرأة”

“কোন পুরুষ অন্য পুরুষের লজ্জাস্থানের দিকে তাকাবে না। অনুরূপভাবে কোন নারী অন্য নারীর লজ্জাস্থানের দিকে তাকাবে না

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরাে ইরশাদ করেনঃ

” حفظ قورئك إلا عن زوجتك أو ما ملكت يميك، قلت: فإذا كان القوم بغضهم في بغض؟. قال: “إن استطعت أن لا يرها أحد فلا يرها”. قلت: فإذا كان أحدنا خاليا؟ قال: “الله أحق أن يستحيا منه”.

“তুমি তােমার স্ত্রী ও কৃতদাসী ছাড়া অন্য সকলের ক্ষেত্রে তােমার লজ্জাস্থানের হিফাযাত কর। বর্ণনাকারী সাহাবী বলেন:) আমি বললাম: যদি লােকেরা গাদাগাদি অবস্থায় থাকে তা হলে? তিনি বলেন: সাধ্যমতাে চেষ্টা করবে কেউ যেন তােমার লজ্জাস্থান দেখতে না পারে। আমি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম: কোন ব্যক্তি যদি একাকি নির্জনে থাকে, তখন? তিনি বলেন: “আল্লাহ তা’আলা এ বিষয়ে অধিক হকদার যে, তাকে শরম করা হবে”। একইভাবে আরেকটি হাদীসে আছে….