পড়াে- সংকলন ওমর আল জাবির PDF

পড়াে

সংকলন:-ওমর আল জাবির

সম্পাদনা:- শরীফ আবু হায়াত অপু

শারঈ সম্পাদনা:- ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া পি.এইচ.ডি, এম.এ, আকীদাহ্ ও তুলনামুলক ধর্মতত্ত্ব, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মদীনা।

সহকারী অধ্যাপক, আল-ফিকহ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

সানাউল্লাহ নজির আহমদ দাওরা হাদীস, দারুল উলুম দেওবন্দ, ভারত। ইফতা, মিফতাহুল উলুম মুজাফফরনগর, ভারত।

প্রথম প্রকাশ: জুমাদা আল উলা, ১৪৩৭ হিজরি

প্রচ্ছদ: সানজিদা সিদ্দিকি কথা

বানান ও ভাষারীতি: মুহাম্মাদ হুসাইন

প্রকাশক ও পরিবেশক:

সরােবর প্রকাশন।

এটি কোনাে তাফসীর নয়। আধুনিক যুগের মানুষের জন্য কুরআনের আয়াতগুলােকে বৈজ্ঞানিক এবং যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা এবং সমসাময়িক প্রশ্ন, দ্বন্দ্ব এবং ঘটনাগুলাের উপর প্রাসঙ্গিক আলােচনা।

ভূমিকা

আমাদের অনেকেরই কুরআন অর্থসহ পড়ার সময় মনে প্রশ্ন আসে, এই আয়াতে আমার শেখার কী আছে?’ বা এর সাথে আজকের যুগের সম্পর্ক কী?’ —অনেকেই কুরআন পড়ে বুঝতে পারেন না যে কুরআনের আয়াত কীভাবে তার জীবনে কাজে লাগবে, বিশেষ করে আজকের যুগের প্রেক্ষাপটে।

আধুনিক মানুষ ইসলামকে নিয়ে যেসব দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভােগেন এবং অমুসলিম মিডিয়ার ব্যাপক অপপ্রভাবের কারণে ইসলামকে মনে-প্রাণে মেনে নিতে পারেন না, তাদের কাছে ইসলামের সঠিক ভাবমূর্তি এবং কুরআনের অসাধারণ বাণী পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এ লেখাগুলাের সূচনা। এটি কোনাে তাফসীর নয়, বরং প্রসিদ্ধ তাফসীরগুলাে থেকে উল্লেখযােগ্য এবং আজকের যুগের জন্য প্রাসঙ্গিক আলােচনার সংকলন। এখানে কুরআনের আয়াতের বাণীকে অল্প কথায়, সমসাময়িক জীবন থেকে উদাহরণ দিয়ে, সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিক আলােচনাসহ যথাসম্ভব আধুনিক বাংলায় তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করি সমকালীন মানুষেরা তাদের জীবনের সাথে কুরআনকে মেলাতে পারবেন।

বইটি নিচের থেলে ডাউনলোড করে নিন…………

কুরআনের আয়াতগুলাের সরাসরি বাংলা অনুবাদ পড়ে আয়াতের মর্ম খুব কমই বােঝা যায়; কারণ, আরবী থেকে বাংলা অনুবাদ করার সময় অনেক আরবী শব্দের প্রকৃত অর্থ, অর্থের ব্যাপকতা এবং প্রেক্ষাপট হারিয়ে যায়। তাই কুরআনকে সত্যিকারভাবে চিনতে আরবী শেখার কোনাে বিকল্প নেই।

এ লেখাতে ব্যক্তিগত মতামত দেওয়া থেকে যথাসাধ্য দূরে থাকার চেষ্টা করা হয়েছে। কুরআনের আয়াতের অনুবাদগুলাে একাধিক প্রসিদ্ধ অনুবাদ, তাফসীর এবং কুরআনের উপর বিভিন্ন আলিমের লেকচার থেকে নেওয়া হয়েছে। বৈজ্ঞানিক, নৃতাত্ত্বিক তথ্যগুলাে যেখান থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার যথাযথ উৎস যথেষ্ট যাচাই করেই নেওয়া হয়েছে। লেখাগুলাের মূলবক্তব্যের কোনােটাই আমার কৃতিত্ব নয়, বরং বিভিন্ন ইসলামী জার্নাল, বই, তাফসীর এবং লেকচার থেকে সংগৃহীত। বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলােও অন্যদের গবেষণালব্ধ ,আমি সংকলক মাত্র।

বইটি লেখার সময় নিচের তাফসীর এবং অভিধানগুলাে ব্যবহার করা হয়েছে:

১) বাইয়িনাহ ইন্সটিটিউট-এর কুরআনের তাফসীর।

২) ম্যাসেজ অফ দা কুরআন—মুহাম্মাদ আসাদ।

৩) তাফহিমুল কুরআন মাওলানা মাওদুদি।

৪) মারিফুল কুরআন মুফতী শাফি উসমানী।

৫) মুহাম্মাদ মােহার আলি-A Word for Word Meaning of The Quran

৬) সৈয়দ কুতব—In the Shade of the Quran

৭) তাদাব্বরে কুরআন—আমিন আহসান ইসলাহি।

৮) তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন—মুফতী মুহাম্মাদ তাকি উসমানী।

৯) বায়ান আল কুরআন—ড: ইসরার আহমেদ।

১০) তাফসীরুল কুরআন–মাওলানা আব্দুল মাজিদ দরিয়াবাদী। ১১) কুরআন তাফসীর—আব্দুর রহিম আস-সারানবি।

১২) আত-তাবারি এর তাফসীরের অনুবাদ।

১৩) তাফসীর ইবন আব্বাস।

১৪) তাফসীর আল কুরতুবি।

১৫) তাফসীর আল জালালাইন।

১৬) লুগাতুল কুরআন—গুলাম আহমেদ পারভেজ।

১৭) তাফসীর ইবন কাসীর।

১৮) তাফসীর আহসানুল বায়ান—ইসলামী সেন্টার, আল-মাজমাআহ, সউদি আরব।

১৯) কুরআনুল কারীম (বাংলা অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত তাফসীর); বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স।

ওপরের এক বা একাধিক তাফসীর সম্পর্কে অনেকের বিভিন্ন মত থাকতে পারে। এ কারণে চেষ্টা করেছি আক্কীদা, শারীআহ, ফিকহ সম্পর্কিত ব্যাপারগুলাে একাধিক তাফসীর বা উৎস থেকে নেওয়ার। এ ছাড়া বইটি দুজন আলিম সম্পাদনা করেছেন। তাদের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল।

সংকলনের সময় লেখাগুলাে বিভিন্ন ভাই এবং বােন দেখে দিয়েছেন। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সংকলক হিসেবে এ বইয়ে যদি কোনাে জ্ঞানগত ভুল থেকে থাকে সে দায় আমার ওপরে বর্তায়। যদি সহৃদয় পাঠক উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে ভুল সংশােধন করে দেন, আমি তার কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। আর এই বইতে যা কিছু ভালাে, সঠিক এবং উপকারী তা আল্লাহ এর পক্ষ থেকে। আল্লাহ যেন এই কাজটা গ্রহন করে নেন এবং এ থেকে পাঠকদের এবং আমাকে, দুনিয়াতে ও আখিরাতে উপকৃত করেন।