কোরআন ও হাদীসের আলােকে নেক আমল-PDF Download

সংকলন

কুতুৰে দাওন, মুজাদ্দিদে যমান, হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশ্রাফ আলী থানভী (রঃ)

সম্পাদনায়

মুহাম্মদ মােখলেছুর রহমান বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ ও বহু ধর্মীয় গ্রন্থ প্রণেতা

প্রকাশক

মােঃ মিজানুর রহমান

তানিয়া বুক ডিপাে ১৩, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০।

মােবাইলঃ ০১৭১৪২২১৬৭৭

মুদ্রণে

জাহাঙ্গীর আলম

অক্ষর প্রিন্টিং প্রেস

বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০।

বিসমিল্লাহর ফযিলত

বর্ণনা করা আছে যে, যখন বিসমিল্লাহ নাযিল হল তখন এর ভয়ে পাহাড় কেঁপে উঠেছিল। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, যেই ব্যক্তি দোযখের দায়িত্বশীল উনিশজন ফেরেশতাগণের আযাব হতে নাজাত চায়, সে যেন বিসমিল্লাহ পাঠ করে। কারণ বিসমিল্লাহ্ এর মাঝে উনিশটি হরফ আছে, এই উনিশটি হরফের বিনিময়ে একজন করে ফেরেশতার আযাব হতে মুক্তি পাৰে। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করা হয়েছে যে, বিসমিল্লাহ যখন হযরত আদম (আঃ)-এর উপর নাযিল হয়েছিল, তখন আকাশের সম্পূর্ণ মেঘ পূর্ব দিকে চলে যায় এবং ঝড় হওয়া থেমে যায়। আর নদীর স্রোত বন্ধ হয়ে যায়, পণ্ড বাধ্যগত হয়, শয়তানকে আসমান হতে বাহির করিয়া দেওয়া হয়। মহান আল্লাহ রাব্বল আলামীন বলেন, “আমার সম্মান ও মর্যাদার কসম, যে ব্যক্তি একনিষ্ঠ মনে যে কোন রকমের অসুখে আমার নাম নিবে আমি তাকে বরকত দান করিব

উলামাগণ বলেছেন যে, যে-কোন সমস্যায় পড়লে দৈনিক ৭৮৬ বার বিসমিল্লাহ পাঠ করলে সমস্যা কেটে যাবে এবং মনের আশা-আকাঙক্ষাপূর্ণ হবে। ফজরের নামাযের পর যে ব্যক্তি যে-কোন সৎ উদ্দেশ্যে ১,৫০০ বার বিসমিল্লাহ পাঠ করলে তার সেই সৎ উদ্দেশ্য সফল হবে। রুযি বৃদ্ধির জন্য ফজরের নামাযের পরে নদীর কিনারাতে বসে ১২,০০০ বার ও মাগরিব নামাযের পরে ১২,০০০ বার বিসমিল্লাহ পাঠ করবে। এই আমলের আগে গােশত খাওয়া পরিত্যাগ করা জরুরী। বৃহস্পতিবার রােযা রেখে খােরমা দ্বারা ইফতার করবে। এরপর মাগরিব নামাযের পরে ১২১ বার বিসমিল্লাহ পাঠ করবে । অতঃপর ইশার নামাযের পর রােষার নিয়্যতে নিদ্রা যাবে, এর ফলে শাসকের সন্তোষ লাভ, সম্পদ বৃদ্ধি, পদ মর্যাদা লাভ হবে। সকাল হয়ে গেলে অর্থাৎ শুক্রবারের ফজরের নামাযের পরে ১২১ বার বিসমিল্লাহ পড়িবে। জাফরান গােলাপ পানি আম্বর দিয়ে নিচের নিয়মে বিসমিল্লাহ লিখবে।